দৌলতখানে ঈদের নামাজে মুসলিমদের উপর সন্ত্রাসীদের হামলা, আহত ৫
ভোলার দৌলতখানে ঈদের নামাজ চলাকালীন সময়ে মসজিদের ভিতরে মুসল্লিদের উপর হামলা চালিয়েছে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা। এ সময় সন্ত্রাসীদের হামলায় ৮ মুসল্লী গুরুতর আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
শনিবার (২২এপ্রিল) সকালে উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদে ঈদের জামাতের ঘটনাস্থলে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, বহু বছর যাবত জোরপূর্বক ভাবে ওই মসজিদটির কমিটিতে রয়েছেন স্থানীয় মানব কল্যান সংগঠন নামক একটি সংস্থার সভাপতি সুমন, নুরনবী, ছোটন, আয়ুইব আলী, আফসার ও লালু সহ আরো কয়েক জন ব্যক্তি। তারা মসজিদের নামে বিভিন্নভাবে চাঁদাবাজি সহ মসজিদের ফান্ডের সমস্ত টাকা পয়সা আত্মসাতসহ এলাকায় নানা অনিয়ম কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। তাদের এ ধরনের কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ হয়ে স্থানীয় মুসল্লিরা বহুবার প্রতিবাদ করেও কোন ধরনের এই সুফল পাননি। অবশেষে মুসল্লিরা সিদ্ধান্ত নেন এই মসজিদটির পাশে অপর আরেকটি মসজিদ নির্মাণের।
এমন খবরে ওই মসজিদ কমিটির বখাটে সন্ত্রাসীরা কয়েকবারই মুসলিমদের সাথে বাকবিতান্ডায় লিপ্ত হয়। এরই জের ধরে শনিবার ঈদের দিন সকালে মসজিদে নামাজের পূর্বে ওই বখাটে সন্ত্রাসীদের সাথে কথা কাটাকাটি হয় মুসল্লিদের। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা উত্তেজিত হয়ে মসজিদের মধ্যেই মুসল্লিদের উপরে অতর্কিত হামলা চালায়। সন্ত্রাসীদের হামলায় স্থানীয় আবদুল মালেক (৪৫), সেলিম (১৮), সাদদাম (২৯), মেম্বার আলাউদ্দিন হিরন, আব্দুল মালেক সহ ৮ জন আহত হয়। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও আশঙ্কাজনক অবস্থা একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে দৌলতখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে আমি নিজেই উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন পক্ষই থানায় কোন ধরনের লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, লিখিত সংবাদ, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

0 মন্তব্যসমূহ