ভোলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৩০ জুলাইয়ের বিক্ষোভ সমাবেশে সহযোগীতা চেয়ে আবেদন গ্রহণ করেনি পুলিশ। গতকাল অ্যাডভোকেট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আবেদনটি নিয়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গেলে তারা তা গ্রহণ না করে জেলা প্রশাসককে দেয়ার জন্য বলেন।
সুপ্রিম কোর্ট ও ভোলা জজ কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট জিয়াউর রহমান জানান, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন, নেতাকর্মী, আলেম-ওলামাদের মুক্তি, দ্রব্যমূল্যের উদ্যগতি রোধ ও সরকারের শোষণ নির্যাতনের বিরুদ্ধে, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক জেলায় জেলায় আগামী ৩০ জুলাই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ সমাবেশের সিদ্ধান্ত নেন। সে মোতাবেক গতকাল আমার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল পুলিশ সুপার বরাবরে বিক্ষোভ সমাবেশের সহযোগিতা চেয়ে আবেদন নিয়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে যাই। পুলিশ সুপারের অনুপস্থিতিতে বিষয়টি আমি ফোনে পুলিশ সুপারের সাথে যোগাযোগ করি। পুলিশ সুপার প্রথমে ডিএসবি শাখায় জমা দেয়ার কথা বলেন। ডিএসবি শাখায় কাউকে না পেয়ে আবারো যোগাযোগ করা হলে পুলিশ সুপার জানান, আবেদনটি জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দিতে হবে। আমরা এটা গ্রহণ করবো না। জামায়াতের প্রতিনিধি দলে ছিলেন, এডভোকেট মোহাম্মদ উল্লাহ, এডভোকেট রহমতুল্লাহ, জেলা জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক সেক্রেটারী জিয়াউল মোর্শেদ, অফিস সেক্রেটারী মাস্টার নুরুল ইসলাম। এ বিষয়ে নবাগত পুলিশ সুপার মোঃ মাহিদুজ্জামান বলেন, জেলা পর্যায়ে সভা সমাবেশের জন্য, জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবর আবেদন করতে হবে। জেলা প্রশাসক আমাদেরকে জানালে, আমরা বিষয়টি আমাদের মত করে দেখব।

0 মন্তব্যসমূহ